Search Index Quraan Shareef Online

  Home    Source

 

A
Aaron (Hazrat Harun As)
Ablution
Abraham
Abrogation
Abu Lahab (Abd al-Uzza)
Ad (Nation)
Adam
Adversity
Adversity (keep patience)
Aging
Ahmad
Al Rass
Allah
Alliances
Angels
Anger
Ants
Apes
Apostacy
Arguments/Attacks
Armor
Astronomy
Atoms
Azar

B
Baal
Badr
Bakkah (Makkah)
Beasts
Bedouin
Bees
Behavior
Belief
Believers
Bible
Biology
Birds
Booty (Ganimat)
Borders (jurisdictional boundaries)
Botany
Builders
Burial
Business
Byzantines

C
Cain and Abel

Calendar
Canaan
Captives
Cattle
Charity
Chastity
Children
Christians
Churches
Clothing
Commandments
Communications
Conservation
Contract
Corruption
Cosmology
Covenants
Creation
Creatures
Crystal
Customs

D
Danger
Date palms
Dates
David (Hazart Daud As)
Death
Deities
Disbelievers (see also Hypocrites)
Disciples (of Jesus)
Divers
Diversity
Divorce
Dogs
Donkeys

E
Earth
Earthquake
Elephant
Elijah
Elisha
Embryology
Evolution
Ezra

F
Family
Fasting
Fig
Fighting
Fire
Food (see also Health rules)
Forgetting
Friends
Future

G
Gabriel (Hazrat Gibrail As)
Games of Chance
Geographic locations and History
Ginger
Goddesses of the pagan Arabs
Gods of pre-Islamic Arabs by name
Gog and Magog
Gold
Golden armlets
Golden Calf
Goliath (Injeel)
Goliath (Jalut)
Government
Grain
Grave
Greetings
Guardianship

H
Hagar
Hajj
Haman
Harut and Marut
Health rules
Hearing
Heaven
Hell (the fire
History
Homosexuality
Honey
Horses
Housing
Hud
Humankind
Hunayn
Hunting
Hur'in
Hydrology
Hypocrites

I
Iblis (Satan)
Idolatry
Idris
Immorality
Imposters
Imran
In sha' Allah
Inheritance
Intoxicants
Iram
Iron
Isaac (Hazrat Ishak As)
Ishmael (Hazrat Ismail As)

J
Jacob (Hazrat Israel As)
Jesus (Hazrat Issa As)
Jews
Jihad
Jinn
Job
John the Baptist
Jonah
Jordan
Joseph (Hazrat Yousuf As)
Judgement
Judgement Day

K
Kabah
Killing
Knowledge
Kufr (denial of the truth)

L
Language
Laws given by Allah and the Prophet
Life
Lion
Literacy
Litigants
Livestock
Locusts
Lot
Lote tree
Luqman

M
Madyan (Midian)
Magians
Manna
Marriage
Mary
Materialism
Mecca
Medinah
Menstruation
Metallurgy
Milk
Mineralogy
Mockery
Monastic asceticism
Monks
Months
Moses (Hazrat Musa As)
Mosque
Mountains
Muhammed
Mules

N
Native
Necessity
Nepotism disallowed
Night
Noah (Hazrat Nuh As)
Nuclear physics

O
Oaths
Old Testament
Olive
Olive trees
Oppression
Orphans

P
Patriarchy
Pearls
Pen
Persecuted people
Pharaoh
Piety
Poets
Pollution
Pomegranates
Prayer
Pregnancy
Privacy
Prophet
Psalms

Q
Qarun
Quail
Qur'an
Quraysh

R
Rabbis
Ramadhan
Record of personal deeds
Red Sea
Refugees
Religion
Religious
Resurrection
Revelation
Ruby

S
Sabbath
Sabians
Sacrifice
Salih
Samaritan
Saul
Sea
Sex
Sexes
Sheba
Ships
Shu'ayb (Hazrat Shuaib As)
Sight
Silk
Silver
Sin
Sinai
Skin
Sky
Slaves
Solomon
Sorcery
Spider
Spouses
Stealing
Swine
Synagogues

T
Tabuk
Ten Commandments
Thamud
Time
Torah
Treachery
Tree
Trees
Trinity
Tubba
Twelve tribes
Two Horned One

U
Uhud
Usury

W
Water
Weather
Widows
Wills
Wine
Women
Wools

Z
Zachariah (Hazrat Zakariah As)

Google
Sublect Search: Judgement Day
[2] Surah Al-Baqara (সূরা আল বাক্বারাহ)
  0  (123
তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কার ও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত ও হবে না।  
1  
 
  0  (177
সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে, বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর, আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার।  
1  
 
  0  (254
হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছি, সেদিন আসার পূর্বেই তোমরা তা থেকে ব্যয় কর, যাতে না আছে বেচা-কেনা, না আছে সুপারিশ কিংবা বন্ধুত্ব। আর কাফেররাই হলো প্রকৃত যালেম।  
1  
 
[3] Surah Al-i'Imran (সূরা আল ইমরান)
  0  (9
হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবেঃ এতে কোনই সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ওয়াদার অন্যথা করেন না।  
1  
 
  0  (25
কিন্তু তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে যখন আমি তাদেরকে একদিন সমবেত করবো যে দিনের আগমনে কোন সন্দেহ নেই আর নিজেদের কৃতকর্ম তাদের প্রত্যেকেই পাবে তাদের প্রাপ্য প্রদান মোটেই অন্যায় করা হবে না।  
1  
 
  0  (106
সেদিন কোন কোন মুখ উজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো। বস্তুতঃ যাদের মুখ কালো হবে, তাদের বলা হবে, তোমরা কি ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গিয়েছিলে? এবার সে কুফরীর বিনিময়ে আযাবের আস্বাদ গ্রহণ কর।  
1  
 
  0  (114
তারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং কল্যাণকর বিষয়ের নির্দেশ দেয়; অকল্যাণ থেকে বারণ করে এবং সৎকাজের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করতে থাকে। আর এরাই হল সৎকর্মশীল।  
1  
 
[4] Surah An-Nisaa (সূরা আন নিসা)
  0  (41
আর তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে, যখন আমি ডেকে আনব প্রতিটি উম্মতের মধ্য থেকে অবস্থা বর্ণনাকারী এবং আপনাকে ডাকব তাদের উপর অবস্থা বর্ণনাকারীরূপে।  
1  
 
  0  (59
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।  
1  
 
  0  (136
হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কর এবং বিশ্বাস স্থাপন কর তাঁর রসূলও তাঁর কিতাবের উপর, যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রসূলের উপর এবং সেসমস্ত কিতাবের উপর, যেগুলো নাযিল করা হয়েছিল ইতিপূর্বে। যে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাব সমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর ও কিয়ামতদিনের উপর বিশ্বাস করবে না, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে।  
1  
 
[5] Surah Al-Maidah (সূরা আল মায়েদাহ)
  0  (69
নিশ্চয় যারা মুসলমান, যারা ইহুদী, ছাবেয়ী বা খ্রীষ্টান, তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহর প্রতি, কিয়ামতের প্রতি এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।  
1  
 
  0  (119
আল্লাহ বললেনঃ আজকের দিনে সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে। তাদের জন্যে উদ্যান রয়েছে, যার তলদেশে নির্ঝরিনী প্রবাহিত হবে; তারা তাতেই চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট। এটিই মহান সফলতা।  
1  
 
[6] Surah Al-An'am (সূরা আল আন-আম)
  0  (15
আপনি বলুন, আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হতে ভয় পাই কেননা, আমি একটি মহাদিবসের শাস্তিকে ভয় করি।  
1  
 
  0  (16
যার কাছ থেকে ঐদিন এ শাস্তি সরিয়ে নেওয়া হবে, তার প্রতি আল্লাহর অনুকম্পা হবে। এটাই বিরাট সাফল্য।  
1  
 
  0  (40
বলুন, বলতো দেখি, যদি তোমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি পতিত হয় কিংবা তোমাদের কাছে কিয়ামত এসে যায়, তবে তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ডাকবে যদি তোমরা সত্যবাদী হও।  
1  
 
  0  (128
যেদিন আল্লাহ সবাইকে একত্রিত করবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা মানুষদের মধ্যে অনেককে অনুগামী করে নিয়েছ। তাদের মানব বন্ধুরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা পরস্পরে পরস্পরের মাধ্যমে ফল লাভ করেছি। আপনি আমাদের জন্যে যে সময় নির্ধারণ করেছিলেন, আমরা তাতে উপনীত হয়েছি। আল্লাহ বলবেনঃ আগুন হল তোমাদের বাসস্থান। তথায় তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে; কিন্তু যখন চাইবেন আল্লাহ। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রজ্ঞাময়, মহাজ্ঞানী।  
1  
 
  0  (151
আপনি বলুনঃ এস, আমি তোমাদেরকে ঐসব বিষয় পাঠ করে শুনাই, যেগুলো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন। তাএই যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না, পিতা-মাতার সাথে সদয় ব্যবহার করো স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্রেøর কারণে হত্যা করো না, আমি তোমাদেরকে ও তাদেরকে আহার দেই, নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য, যাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করো না; কিন্তু ন্যায়ভাবে। তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা বুঝ।  
1  
 
[7] Surah Al-A'raf (সূরা আল আ’রাফ)
  0  (8
আর সেদিন যথার্থই ওজন হবে। অতঃপর যাদের পাল্লা ভারী হবে, তারাই সফলকাম হবে।  
1  
 
  0  (53
তারা কি এখন এ অপেক্ষায়ই আছে যে, এর বিষয়বস্তু প্রকাশিত হোক? যেদিন এর বিষয়বস্তু প্রকাশিত হবে, সেদিন পূর্বে যারা একে ভূলে গিয়েছিল, তারা বলবেঃ বাস্তবিকই আমাদের প্রতিপালকের পয়গম্বরগণ সত্যসহ আগমন করেছিলেন। অতএব, আমাদের জন্যে কোন সুপারিশকারী আছে কি যে, সুপারিশ করবে অথবা আমাদেরকে পুনঃ প্রেরণ করা হলে আমরা পূর্বে যা করতাম তার বিপরীত কাজ করে আসতাম। নিশ্চয় তারা নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তারা মনগড়া যা বলত, তা উধাও হয়ে যাবে।  
1  
 
  0  (187
আপনাকে জিজ্ঞেস করে, কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে? বলে দিন এর খবর তো আমার পালনকর্তার কাছেই রয়েছে। তিনিই তা অনাবৃত করে দেখাবেন নির্ধারিত সময়ে। আসমান ও যমীনের জন্য সেটি অতি কঠিন বিষয়। যখন তা তোমাদের উপর আসবে অজান্তেই এসে যাবে। আপনাকে জিজ্ঞেস করতে থাকে, যেন আপনি তার অনুসন্ধানে লেগে আছেন। বলে দিন, এর সংবাদ বিশেষ করে আল্লাহর নিকটই রয়েছে। কিন্তু তা অধিকাংশ লোকই উপলব্ধি করে না।  
1  
 
[9] Surah At-Taubah (সূরা আত তাওবাহ)
  0  (29
তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।  
1  
 
  0  (35
সে দিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তার দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে (সেদিন বলা হবে), এগুলো যা তোমরা নিজেদের জন্যে জমা রেখেছিলে, সুতরাং এক্ষণে আস্বাদ গ্রহণ কর জমা করে রাখার।  
1  
 
  0  (44
আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতের প্রতি যাদের ঈমান রয়েছে তারা মাল ও জান দ্বারা জেহাদ করা থেকে আপনার কাছে অব্যাহতি কামনা করবে না, আর আল্লাহ সাবধানীদের ভাল জানেন।  
1  
 
  0  (45
নিঃসন্দেহে তারাই আপনার কাছে অব্যাহতি চায়, যারা আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতে ঈমান রাখে না এবং তাদের অন্তর সন্দেহগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, সুতরাং সন্দেহের আবর্তে তারা ঘুরপাক খেয়ে চলেছে।  
1  
 
  0  (77
তারপর এরই পরিণতিতে তাদের অন্তরে কপটতা স্থান করে নিয়েছে সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তার তাঁর সাথে গিয়ে মিলবে। তা এজন্য যে, তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা লংঘন করেছিল এবং এজন্যে যে, তারা মিথ্যা কথা বলতো।  
1  
 
  0  (99
আর কোন কোন বেদুইন হল তারা, যারা ঈমান আনে আল্লাহর উপর, কেয়ামত দিনের উপর এবং নিজেদের ব্যয়কে আল্লাহর নৈকট্য এবং রসূলের দোয়া লাভের উপায় বলে গণ্য করে। জেনো! তাই হল তাদের ক্ষেত্রে নৈকট্য। আল্লাহ তাদেরকে নিজের রহমতের অন্তর্ভূক্ত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুনাময়।  
1  
 
[10] Surah Yunus (সূরা ইউনুস)
  0  (15
আর যখন তাদের কাছে আমার প্রকৃষ্ট আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে সমস্ত লোক বলে, যাদের আশা নেই আমার সাক্ষাতের, নিয়ে এসো কোন কোরআন এটি ছাড়া, অথবা একে পরিবর্তিত করে দাও। তাহলে বলে দাও, একে নিজের পক্ষ থেকে পরিবর্তিত করা আমার কাজ নয়। আমি সে নির্দেশেরই আনুগত্য করি, যা আমার কাছে আসে। আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানী করি, তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি।  
1  
 
  0  (28
আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে সমবেত করব; আর যারা শেরক করত তাদেরকে বলবঃ তোমরা এবং তোমাদের শরীকরা নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে যাও-অতঃপর তাদেরকে পারস্পরিক বিচ্ছিন্ন করে দেব, তখন তাদের শরীকরা বলবে, তোমরা তো আমাদের উপাসনা-বন্দেগী করনি।  
1  
 
  0  (51
তাহলে কি আযাব সংঘটিত হয়ে যাবার পর এর প্রতি বিশ্বাস করবে? এখন স্বীকার করলে? অথচ তোমরা এরই তাকাদা করতে?  
1  
 
  0  (52
অতঃপর বলা হবে, গোনাহগারদিগকে, ভোগ করতে থাক অনন্ত আযাব-তোমরা যা কিছু করতে তার তাই প্রতিফল।  
1  
 
[11] Surah Hud (সূরা হুদ)
  0  (3
আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অনন্তর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং অধিক আমলকারীকে বেশী করে দেবেন আর যদি তোমরা বিমুখ হতে থাক, তবে আমি তোমাদের উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি।  
1  
 
  0  (8
আর যদি আমি এক নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত তাদের আযাব স্থগিত রাখি, তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে কোন জিনিসে আযাব ঠেকিয়ে রাখছে? শুনে রাখ, যেদিন তাদের উপর আযাব এসে পড়বে, সেদিন কিন্তু তা ফিরে যাওয়ার নয়; তারা যে ব্যাপারে উপহাস করত তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলবে।  
1  
 
  0  (25
আর অবশ্যই আমি নূহ (আঃ) কে তাঁর জাতির প্রতি প্রেরণ করেছি, (তিনি বললেন) নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য প্রকাশ্য সতর্ককারী।  
1  
 
  0  (84
আর মাদইয়ানবাসীদের প্রতি তাদের ভাই শোয়ায়েব (আঃ) কে প্রেরণ করেছি। তিনি বললেন-হে আমার কওম! আল্লাহর বন্দেগী কর, তিনি ছাড়া আমাদের কোন মাবুদ নাই। আর পরিমাপে ও ওজনে কম দিও না, আজ আমি তোমাদেরকে ভাল অবস্থায়ই দেখছি, কিন্তু আমি তোমাদের উপর এমন একদিনের আযাবের আশঙ্কা করছি যেদিনটি পরিবেষ্টনকারী।  
1  
 
  0  (103
নিশ্চয় ইহার মধ্যে নিদর্শন রয়েছে এমন প্রতিটি মানুষের জন্য যে আখেরাতের আযাবকে ভয় করে। উহা এমন একদিন, যে দিন সব মানুষেই সমবেত হবে, সেদিনটি যে হাযিরের দিন।  
1  
 
  0  (105
যেদিন তা আসবে সেদিন আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কোন কথা বলতে পারে না। অতঃপর কিছু লোক হবে হতভাগ্য আর কিছু লোক সৌভাগ্যবান।  
1  
 
[12] Surah Yusuf (সূরা ইউসূফ)
  0  (107
তারা কি নির্ভীক হয়ে গেছে এ বিষয়ে যে, আল্লাহর আযাবের কোন বিপদ তাদেরকে আবৃত করে ফেলবে অথবা তাদের কাছে হঠাৎ কেয়ামত এসে যাবে, অথচ তারা টেরও পাবে না?  
1  
 
[14] Surah Ibrahim (সূরা ইব্রাহীম)
  0  (21
সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।  
1  
 
  0  (29
দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।  
1  
 
  0  (30
এবং তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ স্থির করেছে, যাতে তারা তার পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। বলুনঃ মজা উপভোগ করে নাও। অতঃপর তোমাদেরকে অগ্নির দিকেই ফিরে যেতে হবে।  
1  
 
  0  (41
হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।  
1  
 
  0  (42
জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।  
1  
 
  0  (44
মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?  
1  
 
  0  (48
যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আকাশ সমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এবং আল্লাহর সামনে পেশ হবে।  
1  
 
  0  (49
তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে।  
1  
 
[15] Surah Al-Hijr (সূরা হিজর)
  0  (36
সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।  
1  
 
  0  (38
সেই অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।  
1  
 
[16] Surah An-Nahl (সূরা নাহল)
  0  (77
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন রহস্য আল্লাহর কাছেই রয়েছে। কিয়ামতের ব্যাপারটি তো এমন, যেমন চোখের পলক অথবা তার চাইতেও নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান।  
1  
 
  0  (84
যেদিন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব, তখন কাফেরদেরকে অনুমতি দেয়া হবে না এবং তাদের তওবা ও গ্রহণ করা হবে না।  
1  
 
  0  (87
সেদিন তারা আল্লাহর সামনে আত্নসমর্পন করবে এবং তারা যে মিথ্যা অপবাদ দিত তা বিস্মৃত হবে।  
1  
 
  0  (89
সেদিন প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে আমি একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব তাদের বিপক্ষে তাদের মধ্য থেকেই এবং তাদের বিষয়ে আপনাকে সাক্ষী স্বরূপ উপস্থাপন করব। আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ।  
1  
 
  0  (111
যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্ন-সমর্থনে সওয়াল জওয়াব করতে করতে আসবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের কৃতকর্মের পূর্ণ ফল পাবে এবং তাদের উপর জুলুম করা হবে না।  
1  
 
[17] Surah Israel (সূরা বনী ইসরাঈল)
  0  (71
স্মরণ কর, যেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের নেতাসহ আহবান করব, অতঃপর যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও জুলুম হবে না।  
1  
 
  0  (104
তারপর আমি বনী ইসলাঈলকে বললামঃ এ দেশে তোমরা বসবাস কর। অতঃপর যখন পরকালের ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে, তখন তোমাদের কে জড়ো করে নিয়ে উপস্থিত হব।  
1  
 
[18] Surah Al-Kahf (সূরা কাহফ)
  0  (99
আমি সেদিন তাদেরকে দলে দলে তরঙ্গের আকারে ছেড়ে দেব এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করে আনব।  
1  
 
  0  (100
সেদিন আমি কাফেরদের কাছে জাহান্নামকে প্রত্যক্ষ ভাবে উপস্থিত করব।  
1  
 
[19] Surah Maryam (সূরা মারইয়াম)
  0  (37
অতঃপর তাদের মধ্যে দলগুলো পৃথক পৃথক পথ অবলম্বন করল। সুতরাং মহাদিবস আগমনকালে কাফেরদের জন্যে ধবংস।  
1  
 
  0  (38
সেদিন তারা কি চমৎকার শুনবে এবং দেখবে, যেদিন তারা আমার কাছে আগমন করবে। কিন্তু আজ জালেমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে রয়েছে।  
1  
 
  0  (39
আপনি তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন যখন সব ব্যাপারের মীমাংসা হয়ে যাবে। এখন তারা অনবধানতায় আছে এবং তারা বিশ্বাস স্থাপন করছে না।  
1  
 
  0  (75
বলুন, যারা পথভ্রষ্টতায় আছে, দয়াময় আল্লাহ তাদেরকে যথেষ্ট অবকাশ দেবেন; এমনকি অবশেষে তারা প্রত্যক্ষ করবে যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হচ্ছে, তা আযাব হোক অথবা কেয়ামতই হোক। সুতরাং তখন তারা জানতে পারবে কে মর্তবায় নিকৃষ্ট ও দলবলে দূর্বল।  
1  
 
  0  (85
সেদিন দয়াময়ের কাছে পরহেযগারদেরকে অতিথিরূপে সমবেত করব,  
1  
 
[20] Surah Ta-ha (সূরা ত্বোয়া-হা)
  0  (15
কেয়ামত অবশ্যই আসবে, আমি তা গোপন রাখতে চাই; যাতে প্রত্যেকেই তার কর্মানুযায়ী ফল লাভ করে।  
1  
 
  0  (105
তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।  
1  
 
  0  (106
অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।  
1  
 
  0  (107
তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।  
1  
 
  0  (108
সেই দিন তারা আহবানকারীর অনুসরণ করবে, যার কথা এদিক-সেদিক হবে না এবং দয়াময় আল্লাহর ভয়ে সব শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু গুঞ্জন ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না।  
1  
 
  0  (109
দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন এবং যার কথায় সন্তুষ্ট হবেন সে ছাড়া কারও সুপারিশ সেদিন কোন উপকারে আসবে না।  
1  
 
  0  (110
তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।  
1  
 
  0  (111
সেই চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সামনে সব মুখমন্ডল অবনমিত হবে এবং সে ব্যর্থ হবে যে জুলুমের বোঝা বহন করবে।  
1  
 
  0  (112
যে ঈমানদার অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, সে জুলুম ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না।  
1  
 
[21] Surah Al-Anbiyaa (সূরা আম্বিয়া)
  0  (49
যারা না দেখেই তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং কেয়ামতের ভয়ে শঙ্কিত।  
1  
 
  0  (103
মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।  
1  
 
  0  (104
সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।  
1  
 
[22] Surah Al-Hajj (সূরা হাজ্জ্ব)
  0  (2
যেদিন তোমরা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন প্রত্যেক স্তন্যধাত্রী তার দুধের শিশুকে বিস্মৃত হবে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করবে এবং মানুষকে তুমি দেখবে মাতাল; অথচ তারা মাতাল নয় বস্তুতঃ আল্লাহর আযাব সুকঠিন।  
1  
 
  0  (3
কতক মানুষ অজ্ঞানতাবশতঃ আল্লাহ সম্পêেক বিতর্ক করে এবং প্রত্যেক অবাধ্য শয়তানের অনুসরণ করে।  
1  
 
  0  (4
শয়তান সম্পর্কে লিখে দেয়া হয়েছে যে, যে কেউ তার সাথী হবে, সে তাকে বিভ্রান্ত করবে এবং দোযখের আযাবের দিকে পরিচালিত করবে।  
1  
 
  0  (5
হে লোকসকল! যদি তোমরা পুনরুত্থানের ব্যাপারে সন্দিগ্ধ হও, তবে (ভেবে দেখ-) আমি তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করেছি। এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্যে। আর আমি এক নির্দিষ্ট কালের জন্যে মাতৃগর্ভে যা ইচ্ছা রেখে দেই, এরপর আমি তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করি; তারপর যাতে তোমরা যৌবনে পদার্পণ কর। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যুমুখে পতিত হয় এবং তোমাদের মধ্যে কাউকে নিষ্কর্মা বয়স পর্যন্ত পৌছানো হয়, যাতে সে জানার পর জ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সজ্ঞান থাকে না। তুমি ভূমিকে পতিত দেখতে পাও, অতঃপর আমি যখন তাতে বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন তা সতেজ ও স্ফীত হয়ে যায় এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করে।  
1  
 
  0  (6
এগুলো এ কারণে যে, আল্লাহ সত্য এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।  
1  
 
  0  (7
এবং এ কারণে যে, কেয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে সন্দেহ নেই এবং এ কারণে যে, কবরে যারা আছে, আল্লাহ তাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন।  
1  
 
  0  (55
কাফেররা সর্বদাই সন্দেহ পোষন করবে যে পর্যন্ত না তাদের কাছে আকস্মিকভাবে কেয়ামত এসে পড়ে অথবা এসে পড়ে তাদের কাছে এমন দিবসের শাস্তি যা থেকে রক্ষার উপায় নেই।  
1  
 
  0  (56
রাজত্ব সেদিন আল্লাহরই; তিনিই তাদের বিচার করবেন। অতএব যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তারা নেয়ামত পূর্ণ কাননে থাকবে।  
1  
 
[24] Surah An-Nur (সূরা আন-নূর)
  0  (37
এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে, নামায কায়েম করা থেকে এবং যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।  
1  
 
[25] Surah Al-Furqan (সূরা আল-ফুরকান)
  0  (8
অথবা তিনি ধন-ভান্ডার প্রাপ্ত হলেন না কেন, অথবা তাঁর একটি বাগান হল না কেন, যা থেকে তিনি আহার করতেন? জালেমরা বলে, তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।  
1  
 
  0  (11
বরং তারা কেয়ামতকে অস্বীকার করে এবং যে কেয়ামতকে অস্বীকার করে, আমি তার জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করেছি।  
1  
 
  0  (25
সেদিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে এবং সেদিন ফেরেশতাদের নামিয়ে দেয়া হবে,  
1  
 
[26] Surah Ash-Shu'araa (সূরা আশ-শো’আরা)
  0  (82
আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।  
1  
 
[27] Surah An-Naml (সূরা নমল)
  0  (83
যেদিন আমি একত্রিত করব একেকটি দলকে সেসব সম্প্রদায় থেকে, যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলত; অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করা হবে।  
1  
 
[30] Surah Ar-Rum (সূরা আর-রূম)
  0  (12
যে দিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে যাবে।  
1  
 
  0  (14
যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।  
1  
 
  0  (55
যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা কসম খেয়ে বলবে যে, এক মুহুর্তেরও বেশী অবস্থান করিনি। এমনিভাবে তারা সত্যবিমুখ হত।  
1  
 
[32] Surah As-Sajda (সূরা সেজদাহ)
  0  (14
অতএব এ দিবসকে ভূলে যাওয়ার কারণে তোমরা মজা আস্বাদন কর। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেলাম। তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের কারণে স্থায়ী আযাব ভোগ কর।  
1  
 
[33] Surah Al-Ahzab (সূরা আল আহযাব)
  0  (21
যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে।  
1  
 
  0  (44
যেদিন আল্লাহর সাথে মিলিত হবে; সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম। তিনি তাদের জন্যে সম্মানজনক পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন।  
1  
 
  0  (63
লোকেরা আপনাকে কেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহর কাছেই। আপনি কি করে জানবেন যে সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটেই।  
1  
 
  0  (66
যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে, হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম।  
1  
 
[34] Surah Saba (সূরা সাবা)
  0  (3
কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।  
1  
 
[37] Surah As-Saffat (সূরা আস-সাফফাত)
  0  (20
এবং বলবে, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটাই তো প্রতিফল দিবস।  
1  
 
[38] Surah Sad (সূরা ছোয়াদ)
  0  (16
তারা বলে, হে আমাদের পরওয়ারদেগার, আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও।  
1  
 
  0  (26
হে দাউদ! আমি তোমাকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেছি, অতএব, তুমি মানুষের মাঝে ন্যায়সঙ্গতভাবে রাজত্ব কর এবং খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করো না। তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি, এ কারণে যে, তারা হিসাবদিবসকে ভূলে যায়।  
1  
 
  0  (53
তোমাদেরকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হচ্ছে বিচার দিবসের জন্যে।  
1  
 
[39] Surah Az-Zumar (সূরা আল-যুমার)
  0  (13
বলুন, আমি আমার পালনকর্তার অবাধ্য হলে এক মহাদিবসের শাস্তির ভয় করি।  
1  
 
[40] Surah Al-Mu'min (সূরা আল-মু’মিন)
  0  (9
এবং আপনি তাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।  
1  
 
  0  (27
মূসা বলল, যারা হিসাব দিবসে বিশ্বাস করে না এমন প্রত্যেক অহংকারী থেকে আমি আমার ও তোমাদের পালনকর্তার আশ্রয় নিয়ে নিয়েছি।  
1  
 
  0  (33
যেদিন তোমরা পেছনে ফিরে পলায়ন করবে; কিন্তু আল্লাহ থেকে তোমাদেরকে রক্ষাকারী কেউ থাকবে না। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।  
1  
 
  0  (51
আমি সাহায্য করব রসূলগণকে ও মুমিনগণকে পার্থিব জীবনে ও সাক্ষীদের দন্ডায়মান হওয়ার দিবসে।  
1  
 
  0  (59
কেয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে সন্দেহ নেই; কিন্ত অধিকাংশ লোক বিশ্বাস স্থাপন করে না।  
1  
 
  0  (85
অতঃপর তাদের এ ঈমান তাদের কোন উপকারে আসল না যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করল। আল্লাহর এ নিয়মই পূর্ব থেকে তাঁর বান্দাদের মধ্যে প্রচলিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে কাফেররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  
1  
 
[42] Surah Ash-Shura (সূরা আশ-শুরা)
  0  (7
এমনি ভাবে আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে, যাতে কোন সন্দেহ নেই। একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে।  
1  
 
[43] Surah Az-Zukhruf (সূরা যুখরুফ)
  0  (66
তারা কেবল কেয়ামতেরই অপেক্ষা করছে যে, আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে যাবে এবং তারা খবর ও রাখবে না।  
1  
 
  0  (83
অতএব, তাদেরকে বাকচাতুরী ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দিন সেই দিবসের সাক্ষাত পর্যন্ত, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়।  
1  
 
  0  (85
বরকতময় তিনিই, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু যার। তাঁরই কাছে আছে কেয়ামতের জ্ঞান এবং তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।  
1  
 
[44] Surah Ad-Dukhan (সূরা আদ দোখান)
  0  (10
অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে।  
1  
 
  0  (40
নিশ্চয় ফয়সালার দিন তাদের সবারই নির্ধারিত সময়।  
1  
 
[45] Surah Al-Jathiya (সূরা আল জাসিয়া)
  0  (27
নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের রাজত্ব আল্লাহরই। যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন মিথ্যাপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  
1  
 
  0  (32
যখন বলা হত, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই, তখন তোমরা বলতে আমরা জানি না কেয়ামত কি ? আমরা কেবল ধারণাই করি এবং এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।  
1  
 
  0  (34
বলা হবে, আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে যাব, যেমন তোমরা এ দিনের সাক্ষাৎকে ভুলে গিয়েছিলে। তোমাদের আবাসস্থল জাহান্নাম এবং তোমাদের সাহায্যকারী নেই।  
1  
 
  0  (35
এটা এজন্যে যে, তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টারূপে গ্রহণ করেছিলে এবং পার্থিব জীবন তোমাদেরকে প্রতারিত করেছিল। সুতরাং আজ তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে না এবং তাদের কাছে তওবা চাওয়া হবে না।  
1  
 
[47] Surah Muhammad (সূরা মুহাম্মদ)
  0  (18
তারা শুধু এই অপেক্ষাই করছে যে, কেয়ামত অকস্মাৎ তাদের কাছে এসে পড়ুক। বস্তুতঃ কেয়ামতের লক্ষণসমূহ তো এসেই পড়েছে। সুতরাং কেয়ামত এসে পড়লে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে কেমন করে ?  
1  
 
[49] Surah Al-Hujurat (সূরা আল হুজরাত)
  0  (6
মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।  
1  
 
  0  (12
মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।  
1  
 
[50] Surah Qaf (সূরা ক্বাফ)
  0  (20
এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে এটা হবে ভয় প্রদর্শনের দিন।  
1  
 
  0  (44
যেদিন ভূমন্ডল বিদীর্ণ হয়ে মানুষ ছুটাছুটি করে বের হয়ে আসবে। এটা এমন সমবেত করা, যা আমার জন্যে অতি সহজ।  
1  
 
[51] Surah Az-Zariyat (সূরা আয-যারিয়াত)
  0  (12
তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে?  
1  
 
[52] Surah At-Tur (সূরা আত্ব তূর)
  0  (10
এবং পর্বতমালা হবে চলমান,  
1  
 
  0  (45
তাদেরকে ছেড়ে দিন সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তাদের উপর বজ্রাঘাত পতিত হবে।  
1  
 
[54] Surah Al-Qamar (সূরা আল ক্বামার)
  0  (1
কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে।  
1  
 
  0  (46
বরং কেয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময় এবং কেয়ামত ঘোরতর বিপদ ও তিক্ততর।  
1  
 
  0  (48
যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।  
1  
 
[55] Surah Ar-Rahman (সূরা আর রহমান)
  0  (35
ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।  
1  
 
  0  (37
যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।  
1  
 
[56] Surah Al-Waqi'a (সূরা আল ওয়াক্বিয়া)
  0  (4
যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী।  
1  
 
  0  (5
এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।  
1  
 
  0  (8
যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা।  
1  
 
  0  (9
এবং যারা বামদিকে, কত হতভাগা তারা।  
1  
 
  0  (10
অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই।  
1  
 
  0  (11
তারাই নৈকট্যশীল,  
1  
 
  0  (15
স্বর্ণ খচিত সিংহাসন।  
1  
 
  0  (16
তারা তাতে হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।  
1  
 
  0  (17
তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা।  
1  
 
  0  (18
পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে,  
1  
 
  0  (19
যা পান করলে তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না।  
1  
 
  0  (20
আর তাদের পছন্দমত ফল-মুল নিয়ে,  
1  
 
  0  (21
এবং রুচিমত পাখীর মাংস নিয়ে।  
1  
 
  0  (22
তথায় থাকবে আনতনয়না হুরগণ,  
1  
 
  0  (23
আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়,  
1  
 
  0  (24
তারা যা কিছু করত, তার পুরস্কারস্বরূপ।  
1  
 
  0  (25
তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না।  
1  
 
  0  (26
কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম।  
1  
 
  0  (27
যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান।  
1  
 
  0  (28
তারা থাকবে কাঁটাবিহীন বদরিকা বৃক্ষে।  
1  
 
  0  (29
এবং কাঁদি কাঁদি কলায়,  
1  
 
  0  (30
এবং দীর্ঘ ছায়ায়।  
1  
 
  0  (31
এবং প্রবাহিত পানিতে,  
1  
 
  0  (32
ও প্রচুর ফল-মূলে,  
1  
 
  0  (33
যা শেষ হবার নয় এবং নিষিদ্ধ ও নয়,  
1  
 
  0  (34
আর থাকবে সমুন্নত শয্যায়।  
1  
 
  0  (35
আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি।  
1  
 
  0  (36
অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী।  
1  
 
  0  (37
কামিনী, সমবয়স্কা।  
1  
 
  0  (38
ডান দিকের লোকদের জন্যে।  
1  
 
  0  (41
বামপার্শ্বস্থ লোক, কত না হতভাগা তারা।  
1  
 
  0  (42
তারা থাকবে প্রখর বাষ্পে এবং উত্তপ্ত পানিতে,  
1  
 
  0  (43
এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়।  
1  
 
  0  (44
যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়।  
1  
 
  0  (45
তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল।  
1  
 
  0  (46
তারা সদাসর্বদা ঘোরতর পাপকর্মে ডুবে থাকত।  
1  
 
  0  (47
তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব?  
1  
 
  0  (48
এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও!  
1  
 
  0  (49
বলুনঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ,  
1  
 
  0  (50
সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।  
1  
 
  0  (51
অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যারোপকারীগণ।  
1  
 
  0  (52
তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,  
1  
 
  0  (53
অতঃপর তা দ্বারা উদর পূর্ণ করবে,  
1  
 
  0  (54
অতঃপর তার উপর পান করবে উত্তপ্ত পানি।  
1  
 
  0  (55
পান করবে পিপাসিত উটের ন্যায়।  
1  
 
  0  (56
কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।  
1  
 
  0  (88
যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়;  
1  
 
  0  (89
তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।  
1  
 
  0  (90
আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়,  
1  
 
  0  (91
তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম।  
1  
 
  0  (92
আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়,  
1  
 
  0  (93
তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা।  
1  
 
  0  (94
এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে।  
1  
 
[58] Surah Al-Mujadila (সূরা আল মুজাদালাহ)
  0  (22
যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর অদৃশ্য শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই সফলকাম হবে।  
1  
 
[60] Surah Al-Mumtahana (সূরা আল মুমতাহিনা)
  0  (6
তোমরা যারা আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা কর, তোমাদের জন্য তাদের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। আর যে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার জানা উচিত যে, আল্লাহ বেপরওয়া, প্রশংসার মালিক।  
1  
 
[64] Surah At-Tagabun (সূরা আত-তাগাবুন)
  0  (9
সেদিন অর্থাৎ, সমাবেশের দিন আল্লাহ তোমাদেরকে সমবেত করবেন। এ দিন হার-জিতের দিন। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তার পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন। যার তলদেশে নির্ঝরিনীসমূহ প্রবাহিত হবে, তারা তথায় চিরকাল বসবাস করবে। এটাই মহাসাফল্য।  
1  
 
[69] Surah Al-Haqqa (সূরা আল হাক্বক্বাহ)
  0  (14
এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,  
1  
 
  0  (16
সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।  
1  
 
  0  (19
অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, তোমরাও আমলনামা পড়ে দেখ।  
1  
 
  0  (20
আমি জানতাম যে, আমাকে হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে।  
1  
 
  0  (21
অতঃপর সে সুখী জীবন-যাপন করবে,  
1  
 
  0  (22
সুউচ্চ জান্নাতে।  
1  
 
  0  (23
তার ফলসমূহ অবনমিত থাকবে।  
1  
 
  0  (24
বিগত দিনে তোমরা যা প্রেরণ করেছিলে, তার প্রতিদানে তোমরা খাও এবং পান কর তৃপ্তি সহকারে।  
1  
 
  0  (25
যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো।  
1  
 
  0  (26
আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব!  
1  
 
  0  (27
হায়, আমার মৃত্যুই যদি শেষ হত।  
1  
 
  0  (28
আমার ধন-সম্পদ আমার কোন উপকারে আসল না।  
1  
 
  0  (29
আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল।  
1  
 
  0  (30
ফেরেশতাদেরকে বলা হবেঃ ধর একে গলায় বেড়ি পড়িয়ে দাও,  
1  
 
  0  (31
অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।  
1  
 
  0  (32
অতঃপর তাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে।  
1  
 
  0  (33
নিশ্চয় সে মহান আল্লাহতে বিশ্বাসী ছিল না।  
1  
 
  0  (34
এবং মিসকীনকে আহার্য দিতে উৎসাহিত করত না।  
1  
 
  0  (35
অতএব, আজকের দিন এখানে তার কোন সুহূদ নাই।  
1  
 
  0  (36
এবং কোন খাদ্য নাই, ক্ষত-নিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত।  
1  
 
  0  (37
গোনাহগার ব্যতীত কেউ এটা খাবে না।  
1  
 
[70] Surah Al-Ma'arij (সূরা আল মা’আরিজ)
  0  (8
সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।  
1  
 
  0  (9
এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,  
1  
 
  0  (26
এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।  
1  
 
[73] Surah Al-Muzzammil (সূরা মুযযামমিল)
  0  (14
যেদিন পৃথিবী পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে বহমান বালুকাস্তুপ।  
1  
 
  0  (17
অতএব, তোমরা কিরূপে আত্নরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন বালককে করে দিব বৃদ্ধ?  
1  
 
  0  (18
সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে। তার প্রতিশ্রুতি অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে।  
1  
 
[74] Surah Al-Muddathth (সূরা আল মুদ্দাসসির)
  0  (46
এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম।  
1  
 
[76] Surah Ad-Dahr (সূরা আদ-দাহর)
  0  (7
তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।  
1  
 
[77] Surah Al-Mursalat (সূরা আল মুরসালাত)
  0  (8
অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,  
1  
 
  0  (9
যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,  
1  
 
  0  (10
যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং  
1  
 
  0  (11
যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,  
1  
 
  0  (13
বিচার দিবসের জন্য।  
1  
 
  0  (14
আপনি জানেন বিচার দিবস কি?  
1  
 
  0  (38
এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।  
1  
 
[78] Surah An-Nabaa (সূরা আন-নাবা)
  0  (17
নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।  
1  
 
  0  (19
আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।  
1  
 
  0  (20
এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।  
1  
 
[79] Surah An-Nazi'at (সূরা আন-নযিআ’ত)
  0  (6
যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,  
1  
 
  0  (7
অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;  
1  
 
  0  (8
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।  
1  
 
  0  (9
তাদের দৃষ্টি নত হবে।  
1  
 
  0  (10
তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই-  
1  
 
  0  (11
গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?  
1  
 
  0  (12
তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!  
1  
 
  0  (13
অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-নাদ,  
1  
 
  0  (14
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।  
1  
 
[81] Surah At-Takwir (সূরা আত-তাকভীর)
  0  (1
যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে,  
1  
 
  0  (2
যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে,  
1  
 
  0  (3
যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে,  
1  
 
  0  (4
যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে;  
1  
 
  0  (5
যখন বন্য পশুরা একত্রিত হয়ে যাবে,  
1  
 
  0  (6
যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,  
1  
 
  0  (7
যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,  
1  
 
  0  (8
যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে,  
1  
 
  0  (9
কি অপরাধে তাকে হত্য করা হল?  
1  
 
  0  (10
যখন আমলনামা খোলা হবে,  
1  
 
  0  (11
যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে,  
1  
 
  0  (12
যখন জাহান্নামের অগ্নি প্রজ্বলিত করা হবে  
1  
 
  0  (13
এবং যখন জান্নাত সন্নিকটবর্তী হবে,  
1  
 
  0  (14
তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি উপস্থিত করেছে।  
1  
 
[82] Surah Al-Infitar (সূরা আল ইনফিতার)
  0  (1
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,  
1  
 
  0  (2
যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,  
1  
 
  0  (3
যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,  
1  
 
  0  (15
তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।  
1  
 
[83] Surah Al-Mutaffife (সূরা আত-তাতফীফ)
  0  (11
যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।  
1  
 
[84] Surah Al-Inshiqaq (সূরা আল ইনশিক্বাক্ব)
  0  (1
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,  
1  
 
  0  (3
এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে।  
1  
 
[89] Surah Al-Fajr (সূরা আল ফজর)
  0  (21
এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে  
1  
 
[99] Surah Al-Zalzalah (সূরা যিলযাল)
  0  (1
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,  
1  
 
  0  (2
যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।  
1  
 
  0  (3
এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?  
1  
 
  0  (4
সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,  
1  
 
  0  (5
কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।  
1  
 
  0  (6
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়।  
1  
 
  0  (7
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে  
1  
 
  0  (8
এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।  
1  
 
[101] Surah Al-Qari'a (সূরা কারেয়া)
  0  (1
করাঘাতকারী,  
1  
 
  0  (5
এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।  
1  
 

Make a link with this site.
Add the following code to your webpages.